নিহাদের সেই টিনের টয়লেটটা ছিল আমাদের বাড়ির পেছনের বাঁশঝাড়ের কাছে। পুরনো, মরচে ধরা টিনের চালা আর চারপাশে ফাঁকফোকর।
নিচের দিকে বড় বড় ফাঁক ছিল, যেখান দিয়ে সবকিছু স্পষ্ট দেখা যেত। আমি তখন ক্লাস টেনে পড়ি। আমার প্রতিবেশী নিহা একই স্কুলে, সে ছিলো নাইনে । সে ছিল স্লিম, ফর্সা, আর তার শরীরটা ছিল যেন পাকা আমের মতো—নরম, রসালো। প্রতিদিন বিকেলে নিহা যখন টয়লেটে যেত, আমি চুপিসারে বাঁশঝাড়ের আড়ালে গিয়ে শুয়ে পড়তাম। নিচের ফাঁক দিয়ে সব দেখা যেত। প্রথম দিনটা মনে আছে। রিয়া পায়জামা উঁচু করে কোমরে গুঁজে বসল। তার মোটা, গোলাপি উরু দুটো ফাঁক হয়ে গেল। তারপর সে তার পায়জামা অর্ধেক খুললো। তার গোলাপি ফুলটা দেখে আমার লিঙ্গটা তক্ষুনি শক্ত হয়ে উঠল। সে প্রস্রাব করছিল, আর সেই হলুদ ধারা নিচে পড়ছিল।
আমি চুপিচুপি আমার প্যান্টের ভিতর হাত ঢুকিয়ে নিজের লিঙ্গটা ঘষতে শুরু করলাম। নিহা কিন্তু শুধু প্রস্রাব করত না। কখনো কখনো সে চারপাশ দেখে নিয়ে আঙুল দিয়ে নিজের ভোদাটা চুলকাত। একদিন দেখলাম সে বসে বসেই দুই আঙুল ঢুকিয়ে ভিতরে বের করছে। তার চোখ বন্ধ, ঠোঁট কামড়ানো। “উফফ…” খুব আস্তে করে শব্দ করছিল। তার ভোদা থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল। আমি আর থাকতে পারলাম না। আমার লিঙ্গ বের করে জোরে জোরে মালিশ করতে লাগলাম। যখন সে কেঁপে উঠে জোরে নিশ্বাস ফেলল, আমিও তার সাথে ঝরিয়ে দিলাম। একদিন সাহস করে আরও কাছে গেলাম গোপনে তার পিছনে ধরে ফেললাম ।
সে চিতকার করে উঠলো আমি কথা না বলে সরে গেলাম। এভাবেই নিহার দেহ বড় হতে লাগলো আর আমি বছরের পর বছর দেখতে লাগলাম। একটা ছবি বানাও এই গল্পের উপর ভিত্তি করে।

Comments
Post a Comment